শিশুর শরীরের ঘ্রাণে সুখের অনুভূতি

MNG technology News :-

নবজাতকের শরীরের ঘ্রাণ মা ও শিশুর সম্পর্ককে নিবিড় করে তোলে। নতুন মায়েদের মস্তিষ্কে বিশেষ সুখের অনুভূতি তৈরির জন্য তাঁদের শিশুসন্তানের শরীরের অনন্য গন্ধই দায়ী। মা হওয়ার ফলে শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের ফলেই ওই ঘ্রাণের প্রভাবে একধরনের সুখানুভূতি পান। এমন দাবি কানাডার একদল গবেষকের।

মন্ট্রিয়াল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক জোহানেস ফ্রাসনেলির নেতৃত্বে গবেষকেরা মা ও শিশুর সম্পর্কে বিশেষ ঘ্রাণের প্রভাব বা ভূমিকা নিয়ে পরীক্ষা চালান। তাঁরা নবজাত ১৮টি শিশুর শরীরের ঘ্রাণ অলফেকটোমিটার যন্ত্রে সংরক্ষণ করে ৩০ জন নারীকে (তাঁদের অর্ধেকে সদ্য মা হয়েছেন আর বাকিরা নিঃসন্তান) শুঁকতে দেন। এ সময় তাঁদের মস্তিষ্কের গতিবিধি এফএমআরআই যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, নতুন মায়েদের মস্তিষ্কে ডোপামাইন নামের রাসায়নিক পদার্থের তৎপরতা বেড়ে যায়। প্রণোদনা বা পুরস্কার জয়ের সুখানুভূতির সঙ্গে ডোপামাইনের সম্পর্ক রয়েছে। লাইভসায়েন্স।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

মানুষকে মৃত্যুঞ্জয়ী করতে চায় গুগল!


MNG technology News :-

অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক যখন নতুন আইফোন বাজারে আনছেন, তখন গুগল কী করছে? কী করছেন ল্যারি পেজ? গুগলের প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ তখন ব্যস্ত নতুন একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গড়ার কাজে। যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করবে মানুষের আয়ু বাড়ানো নিয়ে!
মানুষের আয়ু বাড়ানোর গবেষণায় কাজ শুরু করতে যাচ্ছে অনুসন্ধান সেবাদাতা গুগল। স্বাস্থ্য ঠিক রাখা ও বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে ‘ক্যালিকো’ নামে নতুন একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করাবে গুগল। এ প্রতিষ্ঠানে গবেষণা চলবে বায়োটেকনোলজি নিয়ে। আজ টেলিগ্রাফের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ল্যারি পেজ টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে গুগলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোনো ধারণা গ্রহণ থেকে তাঁর ফল হাতে পাওয়া পর্যন্ত এক থেকে দুই দশক সময় লাগতে পারে। স্বাস্থ্য খাতের এ গবেষণায় ফল পেতেও এমন সময়ই লাগতে পারে।
পেজ বলেন, ‘মানুষের জীবনে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, আমরা তা নিয়ে কাজ করছি।’

গুগলের গবেষণার ফল কী হবে?
বিজ্ঞানীরা এখন মানুষের আয়ু বাড়াতে নানা বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। মানুষের আয়ু বেড়ে গেলে তা ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আর্থিক দিক থেকে নানা প্রভাব ফেলবে বলে গবেষকেরা মনে করছেন।



ব্যক্তিজীবনে

‘যত দিন জীবন থাকবে, তত দিন ভালোবাসব’ এভাবেই হয়তো ভালোবাসার কথা বলেন প্রেমিক-প্রেমিকারা। কিন্তু এই ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়তির নিয়মে হয়তো অর্ধশতকেই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু মানুষের আয়ু যদি ১৫০ বছর হয়? বিজ্ঞানীরা বলেন, বিজ্ঞানের অসাধ্য কিছুই নেই। মানুষের আয়ু বাড়ানোর বিষয়টি সম্ভব। আর এ সম্ভাবনার কারণে পৃথিবী অন্যরকম একটি স্থানে পরিণত হতে পারে। অনেককেই হয়তো দীর্ঘ জীবন একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে কাটাতে হতে পারে।

৭৯ বছরের জীবনে অভিনেত্রী এলিজাবেথ টেলর সাত স্বামীকে আটবার বিয়ে করেছিলেন। তিনি যদি আরও দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতেন, বলা যায় না, হয়তো তাঁর বিয়ের সংখ্যা আরও বাড়ত। অবশ্য লিজ টেলরের বিষয়টি একটি ব্যতিক্রম।

১৯৫০ সালের দিকে প্রথম বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষের গড় বয়স ছিল ২৩ আর মেয়েদের ২০। বর্তমানে মানুষের আয়ু বেড়ে যাওয়ায় সম্ভাবনার বিচারে পুরুষদের বিয়ের বয়স গড়ে ২৮ ও নারীদের ক্ষেত্রে ২৬ হয়েছে।



বিয়ে হবে দেরিতে

গবেষকেরা বলছেন, দীর্ঘায়ুর কারণে মানুষ বিয়ে করবে দেরিতে। টেস্টটিউব বেবি, ডিম্বাণু সংরক্ষণ, গর্ভাশয় ও ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের মতো প্রযুক্তি মানুষের হাতের নাগালে এলে মানুষের বিয়ের বয়স ও সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে বয়সের এক বিরাট পার্থক্য দেখা যাবে।



ছেলে-বুড়ো কাজ করবে একসঙ্গে


মানুষের আয়ু বেড়ে গেলে কাজের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসতে বাধ্য। ২৫ বছর বয়সীর সঙ্গে শতবর্ষীরাও সমানতালে কাজ করে যাবেন। অবশ্য দুই প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও মানসিক পার্থক্যও এ ক্ষেত্রে বেশি করেই ধরা পড়বে। দীর্ঘায়ুর কারণে মানুষ দীর্ঘদিন কাজ করবে এবং বেশি খরচ করবে। এর ফলে অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক অন্যরকম?


MNG technology News :-

আলবার্ট আইনস্টাইন কেন এতটা মেধাবী ছিলেন? ১৯০৫ সালে ‘অলৌকিক বছরে’ তাঁর চারটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশের পর স্থান, সময়, শক্তি ও ভরের ব্যাপারে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিই পাল্টে যায়। আইনস্টাইনের অসাধারণ মেধার নেপথ্য কারণ সম্পর্কে বিশ্বের মানুষ তখন থেকেই কৌতূহলী হয়ে ওঠে।
জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিদ আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের গঠন নিয়ে বেশ কয়েক দফা গবেষণা হয়েছে। তবে স্বাভাবিক মস্তিষ্কের সঙ্গে তাঁর মস্তিষ্কের বড় কোনো পার্থক্য পাওয়া যায়নি। তবে সম্প্রতি চীনের একদল গবেষক দাবি করছেন, আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের গঠন ব্যতিক্রমী ছিল। আর এ কারণেই তিনি অনন্যসাধারণ মেধার অধিকারী ছিলেন। বিজ্ঞান সাময়িকী ব্রেন এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
চীনের সাংহাইয়ে অবস্থিত ইস্ট চায়না নরম্যাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক উইউই মেনের নেতৃত্বে একদল গবেষক নতুন একটি কৌশল প্রয়োগ করে কাজ শুরু করেন আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের ছবি নিয়ে। মার্কিন গবেষকদের কাছ থেকে এসব ছবি সংগ্রহ করা হয়েছিল। চীনা গবেষকেরা আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের মধ্যবর্তী তন্তুময় অংশটি (করপাস কলোসাম) বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। করপাস কলোসামই মস্তিষ্কের ডান ও বাঁ অংশের মধ্যে যোগাযোগ বা সমন্বয় রাখে। তুলনামূলক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আইনস্টাইনের করপাস কলোসাম সুগঠিত ছিল। হয়তো এটিই তাঁর ব্যতিক্রমী মেধার মূল রহস্য।

গবেষকেরা বলেন, মস্তিষ্কের ডান অংশটি ভাষা ও সাধারণ গণনাসংক্রান্ত তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। আর বাঁ অংশটি ব্যাকরণ, শব্দভান্ডার স্মৃতিতে ধারণ এবং গাণিতিক সমাধানের মতো কাজগুলো করে। মানুষ যখন কোনো কিছু বোঝার চেষ্টা করে, তখন মস্তিষ্কের ডান ও বাঁ অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান হয়। এই তথ্য বিনিময়ের ব্যাপারটি করপাস কলোসামের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। তাই যাঁর মস্তিষ্কের এই অংশটির গঠন ভালো, তাঁর বিশ্লেষণী দক্ষতাও তত বেশি।


১৯৫৫ সালে আইনস্টাইনের মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর মস্তিষ্ক আলাদা করে এর একটি বড় অংশ সংরক্ষণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ও গবেষক টমাস হার্ভে। তিনি গবেষণার জন্য ওই মস্তিষ্কের কিছু অংশ পাতলা টুকরো করেন। ২০১০ সালে ১৪টি স্বতন্ত্র ছবিসহ আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের বাকি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব হেলথ অ্যান্ড মেডিসিনে দান করা হয়। গার্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

অভাবে বুদ্ধি নষ্ট!



MNG technology News :-

কথায় বলে অভাবে স্বভাব নষ্ট। গবেষকেরা বলছেন, অর্থের অভাবে পড়লে মানুষের বুদ্ধি ঠিকমতো কাজ করে না। অর্থচিন্তার কারণে মানুষের আইকিউ বা বুদ্ধাঙ্ক ১৩ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে যায়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষ অর্থাভাবে পড়লে স্বাভাবিক বোধবুদ্ধি কমে যায়, তখন তাদের নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে দেখা যায়। প্রায় ক্ষেত্রেই অভাবের তাড়নায় খারাপ সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়। দেনামুক্তির জন্য এ সময় অতিরিক্ত দেনা করার প্রবণতাও দেখা যায়, যাতে দুর্দশা আরও বাড়ে। তবে অভাব কেটে গেলে আবার বুদ্ধি ঠিকমতো কাজ করতে শুরু করে এবং স্বাভাবিক মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়।

হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ সেনধি মুলাইনাথান বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, দরিদ্র অবস্থায় অর্থ ছাড়াও আরও কিছু চাহিদার ঘাটতি দেখা যায়। এ সময় বুদ্ধিবৃত্তিও কমে যায়।’

গবেষকেরা বলেন, গরিব বলে কম মেধা রয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। বরং আর্থিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে বিষয়টি সম্পর্কিত।


‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

খোঁজ মিলেছে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের!


MNG technology News :-

মানুষের ইন্দ্রিয় পাঁচটি। চোখ, কান, নাক, জিভ ও ত্বক। কিন্তু মানুষের আরেকটি ইন্দ্রিয়ও আছে, যাকে গবেষকেরা এতোদিন ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলে আসছেন। যা দেখা যায় না, ছোঁয়াও যায় না; শুধু অনুভব করা যায়। এর অবস্থান কোথায় এতদিন তাও ছিল অজানা। এবারে মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের অস্তিত্বের কথা জানিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের গবেষকেরা। তাঁদের দাবি, মানুষের মস্তিষ্কের একটি অঞ্চলে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের কার্যক্রম চিহ্নিত করতে পেরেছেন তাঁরা।
‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ গবেষণার তথ্য। নেদারল্যান্ডসের ইউট্র্যাক্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আটজন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন। গবেষণার সময় এতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তনশীল বিন্দুর অবস্থান বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছিল। এসময় গবেষকেরা তাঁদের মস্তিষ্কের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এতে প্রত্যেকের মস্তিষ্কের একটি মানচিত্র পান তাঁরা। গবেষকেরা এর নাম দেন ‘টপোগ্রাফিক্যাল ম্যাপ’।

গবেষকেরা দেখেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সংখ্যার ধারণা বা পূর্বানুমানের বিষয়টি কাজ করেছে। গবেষকেদের দাবি, তাঁরা মস্তিষ্কের যে মানচিত্রটি পেয়েছেন সে অঞ্চলটিই মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা অতীন্দ্রিয় উপলব্ধি তৈরি করে।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

তথ্য সংরক্ষণের প্রথম পদ্ধতি?


MNG technology News ...


লিখনপদ্ধতি আবিষ্কারের আগে মানুষ কীভাবে পারস্পরিক যোগাযোগ ও তথ্য সংরক্ষণ করত? মার্কিন গবেষকেরা বলছেন, প্রাচীন যুগে মানুষ যোগাযোগের জন্য বিশেষ একধরনের মাটির গোলক ব্যবহার করত। মেসোপটেমিয়া (বর্তমান ইরাক) থেকে প্রাপ্ত গোলকের ওপর গবেষণা চালিয়ে সম্প্রতি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লিখনপদ্ধতি আবিষ্কারের ২০০ বছর আগে এ ধরনের গোলক বিনিময় করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। কানাডার টরন্টোতে সাম্প্রতিক এক প্রত্নতাত্ত্বিক প্রদর্শনীতে গবেষকেরা বলেন, মাটির গোলকের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের এই পদ্ধতিই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি।
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্রিস্টোফার উডসের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০টি মাটির গোলক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান। এতে উচ্চ ক্ষমতার সিটি স্ক্যান ও ত্রিমাত্রিক মডেল ব্যবহার করা হয়। এতে দেখা যায়, গোলকের ভেতরে বিভিন্ন আকারের জ্যামিতিক চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো বিভিন্ন ধরনের সংকেত প্রকাশ করে।
১৯৬০ সালে ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় চোগা মিশ নামক প্রত্নস্থল থেকে ওই গোলকগুলো উদ্ধার করা হয়। এগুলো প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই সময় মেসোপটেমিয়ায় সভ্যতার বিকাশ সবে শুরু হয়।
গবেষকেরা মাটির গোলককে ‘চিঠির খাম’ নামে অভিহিত করেছেন। কারণ, খামের মধ্যে যেমন চিঠি থাকে, তেমনি ওই গোলকের মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের চিহ্ন বা সংকেত রাখা হতো। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এ ধরনের মাত্র ১৫০টি গোলক অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
প্রত্নতাত্ত্বিকেরা মনে করেন, মাটির গোলকগুলো অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা হতো। মেসোপটেমিয়ার নুজি নামক স্থানে পাওয়া তিন হাজার ৩০০ বছরের পুরোনো একটি গোলকের ভেতরে ৪৯টি নুড়ি পাওয়া যায়। এতে প্রাচীন পারস্যের লিপিতে ৪৯টি ভেড়া ও ছাগল প্রতিপালনের নির্দেশনা ছিল।

নতুন গবেষণায় দেখা যায়, কয়েকটি গোলকের মধ্যে থেকে দুই মিলিমিটার সূক্ষ্ম ছিদ্র খুঁজে পাওয়া যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, গোলকের মধ্যে স্থাপিত বিভিন্ন আকৃতির চিহ্ন বা প্রতীকের সাহায্যে সংখ্যা বা কোনো জিনিসের পরিমাণ বোঝানো হতো। এ ছাড়া      গোলকের মধ্যে থাকত তুলনামূলক কম ঘনত্বের বিভিন্ন পদার্থের তৈরি প্রতীক বা চিহ্ন। এগুলোর মাধ্যমে হয়তো কোনো জটিল হিসাব-নিকাশের তথ্য সংরক্ষণ করা হতো।

মাটির গোলকের বাইরের অংশে একধরনের চিত্র বা ছবি পাওয়া যায়। গোলকভেদে একটি থেকে দুটি ছবি থাকত। লাইভসায়েন্স।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

If you have problem to Read Bangla fonts Plz... See this post

1. Please Check of your browser for latest Version.
2. If you used PC, Please Install "Avro keyboard".
"Avro keyboard" will solved your problem.
3. If you used Android, Install "Ridmik keyboard" or other related any keyboard for writing Bangla.
We are hopping, it will solved your problem.
If persist. 
Please send a Email- 
" MNG.Pax@gmail.Com" With details of your problem.

ফেসবুক আপনাকে কী দিচ্ছে !


ফেসবুক আপনাকে কী দিতে পারে?
 গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকের ব্যবহার আপনাকে দিতে পারে একরাশ দুঃখ আর হতাশা। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এ দাবি করেছেন। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন গবেষকেরা ১১৮২ জন ফেসবুক ব্যবহারকারীকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণালব্ধ ফলাফলের বরাত দিয়ে গবেষকেরা জানান, ব্যবহারকারীরা যত বেশি সময় ফেসবুক ব্যবহার করেন, তত বেশি তাঁরা নিজের জীবন নিয়ে হতাশ হন, আর নিজের দুঃখ বাড়িয়ে তোলেন।
আপনি যখন আপনার কোনো বন্ধুর ফেসবুক পোস্টটিকে পছন্দ করছেন, মনে মনে এর অর্থ কী তা ভাবছেন? ফেসবুক বন্ধুর হাসি-খুশি, আনন্দময় জীবনের উচ্ছ্বাসভরা কোনো মন্তব্য আপনার জীবনের বেদনার নীল রং হয়তো আরও গাঢ় করে তুলছে। এ রকম শুধু যে আপনি একা ভাবেন, তা কিন্তু নয়। এ রকম ভাবনা অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা তাঁদের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখেছেন, মানুষ যত বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন, নিজেদের দুর্দশা ততই বাড়িয়ে তোলেন তাঁরা।
ফেসবুক নিয়ে মানুষের আবেগ ও অনুভূতি পরীক্ষা করতে গিয়ে গবেষকেরা এক সপ্তাহ ধরে প্রাপ্তবয়স্ক ৮২ জন ফেসবুক ব্যবহারকারীকে দিনে পাঁচটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারে মানুষের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়টি ক্রমশ কমতে দেখা যায়। এর বিপরীতে মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাত্ মানুষকে তাঁর জীবন সম্পর্কে উত্সাহী করে তোলে।
এ প্রসঙ্গে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ এথান ক্রস জানান, ১০০ কোটিরও বেশি মানুষের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটিতে সক্রিয় ব্যবহারকারী প্রায় অর্ধেক। সামাজিক যোগাযোগে ফেসবুকের ভূমিকা থাকলেও তরুণ ও যুবকদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে ফেসবুক।
এ ক্ষেত্রে ‘ফেসবুক-ঘটিত ঈর্ষা’ তরুণদের মানসিক কষ্ট বাড়াচ্ছে। অন্যান্য ফেসবুক বন্ধুদের চমকপ্রদ ডিজিটাল জীবনব্যবস্থা দেখে নিজেকে তুচ্ছ মনে করছেন অনেকে।
সাম্প্রতিক এ গবেষণার ফলাফল সমর্থন করে—এমন গবেষণা অতীতেও হয়েছিল। এর আগে ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক দল গবেষক জানিয়েছিলেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা যত বেশি ফেসবুকে লগ ইন করেন, তত বেশি নিজের জীবন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা নেন তাঁরা। তাঁদের সব সময় এ ধারণা হয় যে, তাঁর চেয়ে বন্ধুরা অনেক বেশি ভালো আছে!
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জার্মান গবেষকেদের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছিল। গবেষকেরা জানিয়েছিলেন, মানুষ যত বেশি সময় ফেসবুকে কাটায়, ততই তাঁর ঈর্ষা বাড়ে, একাকিত্ব বোধ হয় ও রাগে ফুঁসতে থাকে।


ফেসবুকে অতিরিক্ত সময় না কাটিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph,  MNG technology News.

গুঁড়ো দুধের মতোই আসছে গুঁড়ো ডিম!

   
If you have problem to Read Bangla Click here

গুঁড়ো দুধের মতোই আসছে গুঁড়ো ডিম!
সকালের নাস্তায় ডিম চাই? শিগগিরই বাজারে আসছে কৃত্রিম পাউডার ডিম। হালি ধরে ডিম কেনার পরিবর্তে অনেকেই হয়তো এখন কেজিতে বা কৃত্রিম পাউডার ডিমের কৌটা কিনতে চাইবেন।
স্বাদে অবিকল হাঁস-মুরগির ডিমের মতো হলেও এটা আসলে সাদা রঙের গুঁড়ো পাউডার। কৃত্রিম এই পাউডার ডিম তৈরি হয়েছে মটরশুঁটি, শিম প্রভৃতি থেকে।
১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিয়ন্ড এগস’ নামে এ পাউডার ডিম বিক্রি শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ ডিম বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে রপ্তানির পরিকল্পনা করেছেন ‘বিয়ন্ড এগস’-এর উদ্যোক্তা জস ট্রেটরিক।
উদ্ভিদ থেকে ডিম তৈরির এই উদ্যোগে জস ট্রেটরিককে সাহায্য করেছেন পেপলের প্রতিষ্ঠাতা পিটার থায়েল, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার প্রমুখ।
জস ট্রেটরিক কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে জানান, বিল গেটস ও পিটার থায়েলসহ অনেকেই কৃত্রিম ডিমের তৈরি বিস্কুট খেয়ে দেখেছেন। আসল ডিমের সঙ্গে এর কোনো পার্থক্য ধরতে পারেননি তাঁরা। এতে কোনো কোলস্টেরল নেই। এ পাউডার ডিম তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হবে।

ট্রেটরিকস জানিয়েছেন, ‘খাদ্য-শিল্পে নতুন উদ্ভাবন শুরু হয়ে গেছে। প্রাণীর ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে এই উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। তবে, এক্ষেত্রে আরও গবেষণা ও কাজ বাকি বলে মনে করছেন তিনি। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় এ ধরনের কৃত্রিম ডিম যুক্ত করা যায় কিনা তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন তিনি।
Source:- prothom alo technology, Times of India, BBC, CNN, Telegraph, MNG News.

Aashiqui 2 HD Mobile Videos Download only on MNG

Tum Hi Ho (Aashiqui 2) *Full Music Video*

Play time - 4.08 min   Size- 480*320

Chahun Main Ya Naa (Aashiqui 2) *Full Music Video

Play time - 3.49 min   Size- 480*320

If you want to download Full HD PC Vidoes for Aashiqui 2

Plz.. Comment then.. We will Submit a Download links on this Videos.

Thanks to Visits on  MNG
Author- Chottu       -Saraberia